‘নগ্ন’ ছবি নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন বাংলাদেশি মডেল প্রিয়তী

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিস আয়ারল্যান্ড খ্যাত মাকসুদা আক্তার প্রিয়তীর একটি ‘নগ্ন’ ছবি নিয়ে নতুন করে সমালোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যদিও নগ্নতা নিয়ে এর আগেও একাধিকবার আলোচনায় আসেন তিনি। তবে এবারের সমালোচনার কড়া জবার দিয়েছেন রাজধানীর ফার্মগেটে বেড়ে ওঠা এই মডেল।

গত ১ সেপ্টেম্বর নিজের ছবিসহ ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন মডেল প্রিয়তী। সেখানে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘আইরিশরা আমার খুঁত ভরা বাদামি বর্ণের শরীরকে ভালোবাসে, মুগ্ধ হয়। তাদের প্রশংসায় আমাকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে, নিজের খুঁত ভরা শরীরকে ভালোবাসতে শেখায়। এভাবেই আমি হয়ে উঠতে থাকি একটি বারুদ রূপী মানুষ!’

মিস আয়ারল্যান্ড খ্যাত প্রিয়তীর ওই ছবিকে ‘নগ্ন’ আখ্যা দিয়ে অনেকেই সমালোচনা করেন।

সেখানে মেহেদী হাসান নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘অবশ্যই আপনার শরীরটা নিখুঁত। তবে নিচের অংশটাও তো আপনার শরীরের অংশ। ওটা দেখালেন না কেন? আর যদি আইরিশদের জন্যই, তাহলে বাংলায় কেন লিখলেন?’

নাজমুজ সাকিব শান্ত নামের আরেকজন লেখেন, ‘আপনি যা করেন বা ছবি দেন, সেটা একান্তই আপনার পারসোনাল ব্যাপার। সমস্যা হলো, আপনার বাংলাদেশ চুলকানি নিয়ে। এতই লজ্জা হয় বাংলাদেশকে নিয়ে কথা বলতে বা লিখতে? যেহেতু আপনি একজন মেন্টালি সিক, সেহেতু আপনি বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলা ছেড়ে দেন।’ এমন আরও অনেকেই ওই ছবিতে মন্তব্য করে সমালোচনা করেন।

এরপর গত ৩ সেপ্টেম্বর নিঝুম মজুমদার নামের এক চিত্রগ্রাহক নিজের ফেসবুক পাতায় মডেল প্রিয়তীর ওই ছবিটি পোস্ট করেন। তিনি সেখানে বলেন, তিনিই ওই ছবিটি তুলেছেন। এরপর সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বিশাল একটি পোস্ট দেন। সেখানেও অনেকে সেই ছবির সমালোচনা করেন। পরে গতকাল শুক্রবার নিঝুমের সেই পোস্টটি শেয়ার করে  সমালোচনাকারীদের কড়া জবাব দেন প্রিয়তী।

প্রিয়তীর এই পোস্টেও অনেকজন ছবিটির সমালোচনা করেন। সাদ্দাম হোসেন নয়ন নামের একজন লিখেছেন, ‘শুধু আইরিশরাই ভালোবাসে, বাঙালিরা কি ভালোবাসে না? আমার মনে হয়, বাঙালিরা আরও বেশি ভালোবাসে৷ কিন্তু আইরিশদের মতো অত খোলামেলাভাবে প্রকাশ করতে পারে না।’

এমডি রাসেল হোসেন লিখেছেন, ‘এটা ঠিক না, মানুষ হিসাবে নগ্ন ছবি আপলোড দেওয়া। তাও আবার নিজের শরীরের ছবি।’

শাওন লিখেছেন, ‘৬০০ টাকা নষ্ট করে প্রিয়তীর আয়না বইটা কেনাই ভুল ছিল। অ্যাটেনশন সিক করার জন্যই ভুলভাল লিখছিল। এই মহিলা তো উম্মাদ হয়ে গেছে। কী করছে, না করছে তার কোনো দিক-বিদিক নাই।

 

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

FaceBook