সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে মিথ্যা মামলার শিকার, বিএমএসএফ চট্টগ্রাম’র সভাপতি ও সাংবাদিক কেএম রুবেল।

কামাল উদ্দিন,ব্যাুরোচীফ,চট্টগ্রাম:: শহরতলীর ডবলমুরিং থানা সংলগ্ন প্রতিবন্ধির জমি দখলের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে মিথ্যা মামলার শিকার হলেন বিএমএসএফ চট্টগ্রাম’ শাখার সভাপতি ডেইলি এশিয়ান এইজ’র প্রতিনিধি কে.এম রুবেল, ফটো সাংবাদিক ফয়সাল সিকদার ও মোঃ সুমন।

মামলার বাদীনি রাশেদা আক্তার টুকী একজন ভুমিদস্যু এবং চিহ্নিত মামলাবাজ। এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম’র সাধারন সম্পাদক- আহমেদ আবু জাফর, চট্টগ্রাম বিএমএসএফ, রিপোর্টার্স ইউনিটি, ফেনী প্রেসক্লাব সভাপতি জসিম মাহমুদ, সোনাগাজী প্রেসক্লাব সভাপতি সৈয়দ মনির আহমদ সহ জাতীয় ও স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন। জানা যায়, ভুমিদস্যু শাহ আলম, লাকি আক্তার ও রাশেদা টুকি সহ সংঘবদ্ধ একটি চক্র টাইগার কলোনি কাঁচা বাজারে এক প্রতিবন্ধির জায়গা দখল করার পায়তারা করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ৬মার্চ সকালে ১১টা ৪০মিনিট সংবাদ সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে যান সাংবাদিক কে.এম রুবেল, ফটোসাংবাদিক ফয়সাল সিকদার ও মোঃ সুমনসহ ১১জন গনমাধ্যমকর্মী। এসময় সাংবাদিকদের উপর হামলা করে ক্যামরা ভাংচুর করে ওইসব ভুমিদস্যুরা। ওই দিন ডবলমুরিং থানায় একটি জিডি করেন সাংবাদিক কেএম রুবেল। ঘটনার ৫দিন পর ১১মার্চ রুবেলসহ তিন সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন ভুমিদস্যু রাশেদা। সাংবাদিকের জিডি আমলে না নিয়ে কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা এফআইআর করেন ডবলমুরিং থানার ওসি সদীপ কুমার। তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উক্ত মামলার আইও (তদন্ত কর্মকর্তা) এসআই তারেক আজিজ বলেন, মামলা এফআইআর এর পর আমাকে তদন্তের দায়ীত্ব দেয়া হয়েছে । তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

FaceBook